ঝড়-বন্যায় বিধ্বস্ত ছাতকের বহু এলাকা

শেয়ার করুন

সুনামগঞ্জের ছাতকে উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল আর অবিরাম বৃষ্টিতে প্লাবিত ও ঝড়ে ঘরবাড়ি বিধস্ত হয়ে একাকার হয়ে গেছে। শনিবার (২৭) দুপুরে উপজেলার ৩টি ইউনিয়নের ওপর দিয়ে ঝড় বয়ে গেছে। ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত ইউনিয়নগুলো হচ্ছে, গোবিন্দগঞ্জ-সৈদেরগাঁও ইউনিয়ন, সিংচাপইর ও দক্ষিণ খুরমা ইউনিয়ন। এ ৩টি ইউনিয়নের ৫০ টি ঘরবাড়ি বিধস্ত হয়েছে।

অপরদিকে, পাহাড়ি ঢল ও অবিরাম বর্ষণে ছাতক শহর, সদর ইউনিয়ন, ইসলামপুর, নোয়ারাই, কারারুকা, চৈলাআফজরাবাদ, চরমহল্লা, জাইয়া, ভাতগাঁও ইউনিয়নের পাহাড়ি ঢল ও অবিরাম বৃষ্টিতে ১৯ হাজার ৩৯৬ ঘরবাড়ি প্লাবিত হয়েছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. গোলাম কবির বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, বন্যায় ও ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা তৈরী করা হয়েছে। তিনি জানান, উপজেলায় কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে। বন্যার পরিস্থিতি মোকাবেলায় উপজেলা প্রশাসন সব ধরণের প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে।

স্থানীয়রা জানান, শুক্রবার রাত থেকে উজান থেকে পাহাড়ি ঢল ও অবিরাম বর্ষণের ফলে ছাতকে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হচ্ছে।

সুরমা নদীর পানি ছাতক পয়েন্টে ট ৯ দশমিক ১৪ সেন্টিমিটার পর্যন্ত বর্ষাকালে স্বাভাবিক। এর ওপর হলেই বিপদ সীমা অতিক্রম করে। সন্ধ্যা পর্যন্ত সুরমা নদীর ছাতক পয়েন্টে ১০ দশমিক ৭৩ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছে। যা বিপদ সীমার ১৫৯ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

একটি অসমর্থিত একটি সূত্র জানায়, চেলা নদীতে একই পরিমানে পাহাড়ি ঢলের পানি প্রবাহিত হাওয়ায় ছাতকে বন্যার প্রবণতা বাড়ছে।

অন্যদিকে সুনামগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্য মুজিবুর রহমান মানিক ছাতকে ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্থদের পাশে দাড়িয়েছেন। শনিবার (২৭ জুন) বিকেলে তিনি ক্ষতিগ্রস্থ এলাকা পরিদর্শন করেন। পরিদর্শনকালে এমপি মানিক উপজেলার ধারনবাজার এলাকায় দূর্গতদের মধ্যে ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করেন।


শেয়ার করুন