সুনামগঞ্জ জেলার বন্যা নিয়ন্ত্রণ কক্ষের নম্বরসমূহ

শেয়ার করুন

সুনামগঞ্জ জেলার বন্যা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিয়ন্ত্রণ কক্ষ চালু করেছে প্রশাসন। রোববার (২৮ জুন) জেলা প্রশাসক মোঃ আব্দুল আহাদ স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়। যেকোনো সমস্যায় নিম্নোক্ত নম্বরগুলোতে যোগাযোগ করার আহ্বান জানানো হয়েছে:

 কন্ট্রোল রুমমোবাইল নম্বর
সুনামগঞ্জ জেলা০১৭৯১৬৭৫৮৭৬, ০১৭৩০৩৩১১০৬
সুনামগঞ্জ সদর০১৭৫২৪৭৬৪৫১
দক্ষিণ সুনামগঞ্জ০১৭৫৩৯১৩০১৪
বিশ্বম্ভরপুর০১৭৩০৩৩১০৮৪
ছাতক০১৭১৪০৫৯২৭৭
তাহিরপুর০১৭৩৪১৫৪৪০৩, ০১৭১২৭০৭৯৩১
দিরাই০১৯১১৮২৬৯৫৫
দোয়ারাবাজার০১৭২০৩১৩৪৬৭
জামালগঞ্জ০১৯৮৭২৮৯১০৩
১০ধর্মপাশা০১৭১২৯২৯৮৩৮
১১জগন্নাথপুর০১৭৩০৩৩১১৯৯
১২শাল্লা০১৭৩০৩৩১১১৫

এর আগে গতকাল শনিবার (২৭ জুন) সুনামগঞ্জে বন্যা পরিস্থিতি মোকাবেলায় জেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটি জরুরী সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার দুপুরে জুমের মাধ্যমে ভার্চুয়াল পদ্ধতিতে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে যুক্ত হন সুনামগঞ্জ-২ অসানের সংসদ সদস্য ড. জয়া সেনগুপ্তা সিলেট ও সুনামগঞ্জ সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট শামীমা শাহরিয়ার, সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব মোহাম্মদ জয়নুল বারী। সভা সমন্বয় করেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আব্দুল আহামদ। সভায় জানানো হয়, উপজেলা পর্যায়ে ৪১০ মেট্রিক টন চাল এবং ২৯ লাখ ৭০ হাজার টাকা জিআর চাল এবং নগদ বরাদ্দ এবং উপজেলাগুলোতে ৪ হাজার ৭৫২ টি পরিবারের মাঝে শিশু খাদ্য বিতরণের জন্য বরাদ্দ প্রদান করা হয়েছে। সভায় জেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্যবৃন্দ জেলার বন্যা পরিস্থিতি মোকাবেলায় বেশ কিছু সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

সিদ্ধান্তগুলো হচ্ছে:
(১) প্রতিটি উপজেলায় আশ্রয়কেন্দ্র খোলা এবং আশ্রয়কেন্দ্রের তথ্য মাইকে ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচার করা।
(২) উপজেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সভা করা এবং সভার সিদ্ধান্তগুলো প্রচার করা।
(৩) জেলায় এবং প্রতিটি উপজেলায় কন্ট্রোল রুম চালু করা এবং কন্ট্রোল রুমের যোগাযোগের নম্বর প্রচার করা।
(৪) উপজেলায় ও ইউনিয়ন পর্যায়ে শুকনো খাবার, বিশুদ্ধ পানি ও পানি বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেট প্রস্তুত করা ও প্রয়োজন অনুযায়ী সরবরাহ করা।
(৫) উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ে বিদ্যমান আশ্রয়কেন্দ্রগুলোর তালিকা প্রস্তুত, যোগাযোগের নম্বর এবং আশ্রয়কেন্দ্র ভিত্তিক কমিটি করে দেয়া।
(৬) ত্রাণ ও উদ্ধার কাজে সহায়তা করার জন্য স্থানীয় পর্যায়ে নৌযানের ও মাঝির ব্যাবস্থা করা এবং তাদের যোগাযগের নম্বর প্রচার করা।
(৭) ত্রাণ ও উদ্ধার কাজে সহায়তা করার জন্য স্থানীয় পর্যায়ে স্প্রিড বোটের ব্যাবস্থা করা।
(৮) আশ্রয়কেন্দ্রে কারোও করোনা উপসর্গ থাকলে তাকে আলাদা স্থানে রাখার ব্যাবস্থা করা।
(৯) আশ্রয়কেন্দ্রে সাবান, হ্যান্ড স্যানিটাইজার ও মাস্ক সরবরাহ করা।
(১০) স্ব স্ব উপজেলা হতে ত্রাণ চাহিদা প্রেরন করা।
(১১) প্রয়োজন অনুযায়ী শুকনো খাবার, শিশু খাদ্যও পশুখাদ্য সরবরাহ করা।
(১২) মামবাতি, দিয়াশলাই, চার্জার লাইট সরবরাহ করা।
(১৩) প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ব্যাবস্থা নিশ্চিত করার জন্য মেডিকেল টিম গঠন করা।
(১৪) বন্যার সময় নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য পুলিশকে প্রস্তুত রাখা ও প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।


শেয়ার করুন