Skip to content

তুরস্কের আঙ্কারায় বাংলাদেশের নতুন দূতাবাস ভবন

তুরস্কের রাজধানী আঙ্কারায় বাংলাদেশ দূতাবাস ভবন নির্মাণ করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে এ ভবন উদ্বোধন করবেন।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন এবং তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মেভলাট চাভু। অনুষ্ঠানে অংশ নিতে তুরস্কে গেছেন এ কে আব্দুল মোমেন। তিনি রোববার সকালে তুরস্কের উদ্দেশ্যে ঢাকা ত্যাগ করেন।

১৫ সেপ্টেম্বর দুই দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর মধ্যে বৈঠকের কথা রয়েছে। বৈঠকে রোহিঙ্গা সংকট, ডি-৮ শীর্ষ সম্মেলন, বাণিজ্য ও বিনিয়োগের নানা বিষয় আলোচনায় উঠে আসবে বলে আশা করা হচ্ছে। বৈঠক শেষে ১৬ সেপ্টেম্বর পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দেশে ফেরার কথা রয়েছে।

দৃষ্টিনন্দন ও আধুনিক নতুন দূতাবাস ভবন

তাছাড়া বাংলাদেশের স্বাধীনতাযুদ্ধের ইতিহাসের প্রতিফলক হিসেবে ওই কমপ্লেক্সে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আবক্ষ এবং ভাষা শহীদদের স্বরণে শহীদ মিনার স্থাপন করা হয়েছে। এছাড়া “অজেয় বাংলাদেশ” শিরোনামে একটি দৃষ্টিনন্দন ম্যুরাল ও বাংলাদেশের গ্রামীণ জীবনের উপরে টেরাকোটা স্থাপন করা হয়েছে। বাংলাদেশী স্থাপত্য রীতির আমেজ নিশ্চিত করতে ভবন দুটির বহির্ভাগে লাল ইটের এবং সমতল ছাদের ব্যবহার করা হয়েছে।

১৪ নভেম্বর ২০১০ সালে ঢাকায় পররাষ্ট্র মন্ত্রী পর্যায়ে বাংলাদেশ ও তুরস্কের মধ্যে কূটনৈতিক মিশন নির্মাণের জন্য প্লট বিনিময়ের বিষয়ে একটি প্রোটোকল স্বাক্ষরিত হয়েছিল। ওই প্রোটোকলের ফলে দু’দেশের রাজধানীতে নিজস্ব দূতাবাস ভবন নির্মাণের জন্য জমি প্রাপ্তির বিষয়টি সহজ হয়ে যায়। পরবর্তীতে ২০১২ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তুরস্ক সফরকালে চ্যান্সারী কমপ্লেক্স প্রকল্পের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করেন এবং প্রকল্প স্থানে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আবক্ষ স্থাপন করা হয়।

২০১৫ সালের শেষের দিকে বর্তমান প্রকল্প পরিচালক তুরস্কে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত এম. আল্লামা সিদ্দীকীর দূতাবাসে যোগদানের পর হতে প্রকল্পের বাস্তবায়ন বেগবান হয়। প্রকল্পের বহুল প্রতীক্ষিত নির্মাণ কাজ শুরু হয় ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৮ সালে।

নির্মাণ কাজ শুরুর পরে তা শেষ হওয়ার নির্ধারিত ১৮ মাস মেয়াদের প্রায় ৫ আগেই শেষ হওয়ার সম্ভাবনা উজ্জল ছিল। কিন্তু পরবর্তীতে ২টি বরফাচ্ছন্ন শীতকাল এবং পরিশেষে কোভিড-১৯ মহামারীর প্রতিকুল প্রভাবে প্রকল্পের নির্মাণ কাজ নির্ধারিত ১৮ মাসের স্থলে ২০ মাসে শেষ হয়।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ১৪ সেপ্টেম্বর নবনির্মিত দূতাবাস কমপ্লেক্স ঢাকা থেকে অনলাইনে শুভ উদ্বোধন করবেন। এসময় বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন এবং তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মেভলুত চাবুসওলু দূতাবাসে উপস্থিত থাকবেন।

সুনামগঞ্জমিরর/এও

x