Skip to content

ধর্মপাশার বংশীকুন্ডা ইউপি চেয়ারম্যান বিরুদ্ধে দুর্নীতি-অনিয়মের অভিযোগ

ধর্মপাশা উপজেলার বংশীকুন্ডা দক্ষিণ ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে বিভিন্ন উন্নয়ন কাজের বরাদ্ধ আত্মসাৎ, দুর্নীতি, অনিয়মএবং ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ এনেছেন একই পরিষদের সদস্যরা।

গত রোববার উপজেলার বংশীকুন্ডা দক্ষিণ ইউনিয়ন পরিষদের সাদ জন সদস্য ধর্মপাশা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে, চেয়ারম্যান রাসেল আহম্মদ নির্বাচিত হওয়ার পর থেকেই ইউনিয়ন পরিষদের উন্নয়ন কাজের জন্য বরাদ্ধ পাওয়া টি-আর, কাবিখাঁ, এলজিএসপি প্রকল্প, পানি উন্নয়ন বোর্ডের প্রকল্পের টাকায় নামেমাত্র কাজ করে অধিকাংশ টাকা আত্মসাৎ করে আসছেন।

এছাড়াও হতদরিদ্র, কর্মসংস্থান কর্মসূচীর টাকা,শরীফ প্রকল্পের টাকায় কাজ না করে আত্মসাৎ করেছেন। অভিযোগে আরো উল্লেখ করা হয়, চেয়ারম্যান তাঁর নিজস্ব বাহিনী দিয়ে ভজিডি- ভিজিএফ বিতরণে অনিয়ম করেছেন ।

অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, মাসিক সভা না করে বিভিন্ন প্রয়োজনীয় সময়ে ১০-১৫ মিনিট আগে ইউ,পি সদস্যদের উপস্থিত হওয়ার জন্য মোবাইল ফোনে অবহিত করা হয়। যার ফলে ইউ,পি সদস্যগণ ইউনিয়ন পরিষদ সভায় উপস্থিত হতে পারেন নি। এ সুযোগে নিজের ইচ্ছামত প্রকল্প বন্টন করে আসছেন চেয়ারম্যান রাসেল আহমেদ। ২০১৩-১৪ অর্থবছরে গ্রামীণ অবকাঠামো রক্ষণাবেক্ষণ টি-আর প্রকল্পের ১ম ও ২য় পর্যায়ে ২৬ মেট্রিক টন চাল বরাদ্ধ পায় এ ইউনিয়ন পরিষদ। চেয়ারম্যান কোন সভা আহ্বান না করেই ভুয়া প্রকল্প দাখিল করে বরাদ্ধের চাল কালো বাজারে বিক্রি করে কাজ না করে টাকা আত্মসাৎ করেছেন।

২০১২-১৩ অর্থবছরের এলজিএসপি-২ এর বরাদ্ধকৃত ১৫ লক্ষ টাকা ও ইপিজিপির ৪ লক্ষ ৫৪ হাজার টাকা ভুয়া প্রকল্পের মাধ্যমে আত্মসাৎ করা হয়েছে। শরীক প্রকল্পের ১ লক্ষ টাকা ও ইউনিয়ন পরিষদের পারফরমেন্স এর ২৫ হাজার টাকা ইউ,পি সদস্যদেরকে না জানিয়ে ভুয়া প্রকল্পের মাধ্যমে কোন কাজ না করে আত্মসাৎ করা হয়েছে। ২০১৩-১৪ অর্থবছরে হতদরিদ্র কর্মসংস্থান কর্মসূচীর শ্রমিক তালিকা ইউ,পি সদস্যদেরকে না জানিয়ে সংশ্লিষ্ট দাখিল করা হয়েছে। তালিকাভুক্ত শ্রমিকগণ হতদরিদ্রের আওতাভুক্ত নয়।

বংশিকুন্ডা ইউপি চেয়ারম্যান রাসেল অহমদ বলেন, ইউপি সদস্যদের অবৈধ সুযোগ-সুবিধা না দেওয়ার কারণে তার রাজনৈতিক প্রতিপক্ষদের সঙ্গে জোট বেধে তাকে সমাজে হেয় করতে এমন অভিযোগ দায়ের করেছে।

এ ব্যপারে ধর্মপাশা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ খালেদুর রহমান জানান, অভিযোগটি পেয়েছি তদন্ত পূর্বক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

x