Skip to content

সিলেটে আ.লীগ কঠোর, দ্বিধায় বিএনপি

সিলেটে উপজেলা পরিষদ নির্বাচন জমে উঠেছে। এ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ-বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থীর সংখ্যাও বেশী। তবে বিদ্রোহীদের ঠেকাতে কঠোর হয়েছে আওয়ামী লীগ। বিএনপি রয়েছে দ্বিধাদ্বন্দ্বে।

বিএনপির কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান শমশের মবিন চৌধুরী ইস্যুর কারণেই কোনো বিদ্র্রোহী প্রার্থীর বিরুদ্ধে অ্যাকশনে যেতে পারছে না দলটি। ফলে বিদ্রোহী প্রার্থী নিয়ে দ্বিধায় রয়েছে বিএনপি।

সিলেট মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও বিএনপির নির্বাচনী উপ-কমিটির সদস্য আবদুল কাইয়ুম জালালী পংকি দ্য রিপোর্টকে বলেন, দলীয় সিদ্ধান্ত উপেক্ষা করে যারা প্রার্থী হয়েছেন তাদের পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। শিগগির তাদের বিরুদ্ধে দলীয় ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে।

এ ক্ষেত্রে সিলেট আওয়ামী লীগ খুবই কঠোর হচ্ছে। ইতোমধ্যে সাত বিদ্রোহী প্রার্থীকে দল থেকে বহিষ্কারও করেছে দলটি।

শনিবার রাতে চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আওয়ামী লীগের সাত বিদ্রোহী প্রার্থীকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। এর মধ্যে ৩ জন চেয়ারম্যান প্রার্থী ও ৪ জন ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী রয়েছেন।

বহিষ্কৃত চেয়ারম্যান প্রার্থীরা হলেন- গোলাপগঞ্জ উপজেলার চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক হুমায়ূন ইসলাম কামাল, একই উপজেলার উপজেলা আওয়ামী লীগের দফতর সম্পাদক আলী আকবর ফখর, জকিগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ইউনূস আলী।

এ ছাড়া জৈন্তাপুর উপজেলা পরিষদের বিদ্রোহী চেয়ারম্যান প্রার্থী সাবেক ছাত্রলীগ নেতা কামাল আহমদের পক্ষে দলীয় কোনো নেতাকর্মীকে কাজ না করার আহ্বান জানানো হয়েছে। বর্তমানে কামাল আহমদের কোনো দলীয় পদ না থাকায় তাকে বহিষ্কার করা সম্ভব হয়নি বলে সভা সূত্রে জানা গেছে।

বহিষ্কৃত ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থীরা হলেন- জৈন্তাপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের আইন বিষয়ক সম্পাদক আলতাফ হোসেন, ওসমানীনগর থানা আওয়ামী লীগের সহ প্রচার সম্পাদক ইকবাল হোসেন মস্তান, কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা মণ্ডলীর সদস্য শামসুল ইসলাম ও একই উপজেলার সাবেক ছাত্রলীগ সভাপতি শাহজাহান চৌধুরী।

মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আসাদ উদ্দিন আহমদ দ্য রিপোর্টকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে তারা প্রার্থী হওয়ায় তাদের বিরুদ্ধে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। (TheReport24.com)

x