বিএনপির মনোবল চাঙ্গা করতেই জাওয়াহিরির অডিও বার্তা: মতিয়া

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে লেডি লাদেন আখ্যা দিয়ে কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী বলেছেন, বিএনপির মনোবল চাঙ্গা করতেই আল-কায়দার শীর্ষ নেতা আইমান আল জাওয়াহিরির অডিও বার্তা দেওয়া হয়েছে। রোববার জাতীয় সংসদে পয়েন্ট অব অর্ডারে দাঁড়িয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন। এ সময় সংসদে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী।

মতিয়া চৌধুরী বলেন, ২০০১ থেকে ২০০৬ সালে বিএনপি-জামায়াত ক্ষমতায় থাকার সময় আল কায়দার শীর্ষ নেতা আইমান আল জাওয়াহিরি তিন বার বাংলাদেশে এসেছিলেন। ওই সময় টাইম ম্যাগাজিনে তা ছাপা হয়েছে। আর এখন জাওয়াহিরির অডিও বার্তা বিএনপির মনোবল চাঙ্গা করতে দেওয়া হয়েছে। জাওয়াহিরি তিন তিন বার বাংলাদেশে এসেছেন নিশ্চয় সরকারি বদান্যতা ও সরকারি মেহমানদারিতে। এতে কোনো সন্দেহ নেই।

খালেদা জিয়ার সমালোচনা করে কৃষিমন্ত্রী বলেন, খালেদা জিয়া লেডি লাদেন এবং তারেক রহমান জুনিয়র লাদেন। তাদের যোগসূত্র একজন বিদেশে থেকে আর একজন দেশের ভেতরে থেকে উল্টা-পাল্টা করার আহবান করেন।

তিনি বলেন, যদি দশ ট্রাক অস্ত্র মামলার যোগসূত্র খুঁজি তাহলে বিএনপির রাজনীতিটাই সন্ত্রাসবাদ, জঙ্গিবাদ এবং দেশের সর্বনাশ করার। জাওয়াহিরির তিন বার দেশে আসার পরে দেখতে পেলাম শাপলা চত্বরে হেফাজত সমাবেশ ডাকলো। সেখানে তাদের বসে থাকার জন্য অনুপ্রাণিত করলেন খালেদা। একই সঙ্গে ঢাকাবাসীকে মেহমানদারিতে অংশ নেওয়ার জন্য ২০০ গরু রেডি রাখলেন। বিএনপি কপালপোড়া, তারা রাতের বেলা পলায়ন করলো। এদিকে দাবি করা হলো দুই হাজার তিন জাজার লোক মারা গেছেন।

মানবাধিকার সংগঠন অধিকারের দাবির পাশপাশি হেফাজতও একই দাবি করে বলে জানান মতিয়া চৌধুরী।

কৃষিমন্ত্রী বলেন, যখন ‘অধিকার’কে তাদের প্রাতিবেদন দিতে বলা হলো তখন দুই হাজার তো দূরের কথা একশও পূরণ করতে পারলো না। আল-কায়দা বা জাওয়াহিরির যে অডিও বার্তা দিয়েছেন তা বিএনপি নেত্রী খালেদা জিয়ার, যিনি এখন লেডি লাদেন।

কৃষিমন্ত্রী বলেন, খালেদার ‘গণতন্ত্রের অভিযাত্রা’ ছিলো না ছিলো ‘সন্ত্রাসের অভিশাপ’। অভিযাত্রায় কাজের বুয়া ছাড়া তার পাশে কেউ ছিলো না।

পয়েন্ট অব অর্ডারে অন্যদের মধ্যে অংশ নেন জাসদের মাঈনুদ্দিন খান বাদল, ওয়াকার্স পার্টির ফজলে হোসেন বাদশা, তরিকত ফেডারেশনের চেয়ারম্যান নজিবুল বশর মাইজভান্ডারী।

x