Skip to content

ব্ল্যাকবেরি সেবা বন্ধ করে দিচ্ছে সরকার

বাংলাদেশ সরকার জনপ্রিয়তার শীর্ষস্থানে থাকা স্মার্টফোন ব্র্যান্ডসমূহের একটি ব্ল্যাকবেরির সেবা বন্ধের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। টেলিকম নীতিতে উল্লেখিত জাতীয় নিরাপত্তা ইস্যুর সঙ্গে ব্ল্যাকবেরি সেবা সঙ্গতিপূর্ণ না হওয়ায় সরকার এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন রেগুলেটরি কমিশন (বিটিআরসি) এরই মধ্যে ব্ল্যাকবেরি মোবাইলের সেবা দানকারী দুটি মোবাইল অপারেটর প্রতিষ্ঠান গ্রামীণফোন ও এয়ারটেল’কে এ সিদ্ধান্তের বিষয়টি অবহিত করেছে।

এ মাসে একটি চিঠিতে জানানো অনুরোধে বিটিআরসি এ দুটি প্রতিষ্ঠানকে বলেছে, প্রতিষ্ঠান দুটির ব্ল্যাকবেরি গ্রাহকদের জন্য বিকল্প সমাধানের পথ খুঁজতে এবং সে অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে। এ জন্য ৭ দিনের সময় বেঁধে দিয়েছে টেলিকমিউনিকেশন নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি।

ব্ল্যাকবেরি নেটওয়ার্কে বৈধ নজরদারির প্রবেশাধিকার দেয়ার ব্যাপারে সরকার যে ব্যবস্থা নিতে বলেছিল, সে পদক্ষেপ নিতে ব্যর্থ হওয়ার পর এ সিদ্ধান্ত নেয়া হলো। লাইসেন্সের শর্তানুযায়ী, সরকার প্রয়োজনানুসারে যে কোন সময় টেলিকম সেবা দানকারী প্রতিষ্ঠানসমূহের নেটওয়ার্কে প্রবেশের অধিকার সংরক্ষণ করে। কিন্তু, ব্ল্যাকবেরি হ্যান্ডসেটের যে ধরনের সে ধরনের বৈধ নজরদারি সম্ভব নয়। সেটটির নির্মাতা কানাডীয় প্রতিষ্ঠান রিসার্চ ইন মোশন (আরআইএম)। অভিজাত ও নীতিনির্ধারক মহলে ব্ল্যাকবেরি বেশ গ্রহণযোগ্যতা ও জনপ্রিয়তা পেয়েছিল প্রথম থেকেই। সে তালিকায় স্বয়ং মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামাও রয়েছেন। ২০০৮ সালে বাংলাদেশে সেবা চালু করে ব্ল্যাকবেরি। ২০১৩ সাল পর্যন্ত ব্ল্যাকবেরির গ্রাহক সংখ্যা ছিল প্রায় ৬,০০০। এর মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা, শীর্ষস্থানীয় দেশী ও বিদেশী ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তারা ও শীর্ষ কূটনীতিকরাও রয়েছেন। গ্রামীণফোনের প্রধান কর্পোরেট কর্মকর্তা মাহমুদ হাসান বিটিআরসি’র চিঠি পাওয়ার কথা জানিয়েছেন।

বিকল্প ব্যবস্থা গ্রহণে ২ সপ্তাহের সময় বিটিআরসি’র কাছে চাওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি। এয়ারটেল কর্তৃপক্ষও বিকল্প ব্যবস্থা নেবে। ভারত, সৌদি আরব ও চীনেও একই সমস্যার সম্মুখীন হয়েছিল ব্ল্যাকবেরি। (সূত্র: দ্য ইন্ডিপেনডেন্ট)

x