Skip to content

এবার বাংলাদেশও ‘পোলিওমুক্ত’

বাংলাদেশসহ দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার ১১টি দেশকে পোলিওমুক্ত ঘোষণা করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)। মূলত গত তিন বছরে এ দেশগুলোতে একজনও পোলিও রোগী পাওয়া না যাওয়ায় এ অঞ্চলকে ‘পোলিওমুক্ত’ সনদ দেওয়া হয়েছে।

এ ঘোষণার মধ্যে দিয়ে বিশ্বের মোট জনসংখ্যার ৮০ শতাংশ লোকই এখন পোলিওমুক্ত।

বৃহস্পতিবার ভারতের নয়া দিল্লিতে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার আঞ্চলিক কার্যালয় থেকে এ ১১টি দেশকে পোলিও মুক্ত ঘোষণা করা হয়।

দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার নতুন পোলিও মুক্ত দেশগুলো হলো- বাংলাদেশ, ভুটান, উত্তর কোরিয়া, ভারত, ইন্দোনেশিয়া, মালদ্বীপ, মিয়ানমার, নেপাল, শ্রীলঙ্কা, থাইল্যান্ড ও পূর্ব তিমুর।

এছাড়া আফ্রিকা ও পূর্ব ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চলের সবগুলো দেশ যদি টানা তিন বছর পোলিওমুক্তি থাকতে পারে, তাহলে পুরো বিশ্বকেই ‘পোলিওমুক্ত’ ঘোষণা করবে ডব্লিউএইচও। তবে পূর্ব ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চলের দেশ পাকিস্তান ও আফগানিস্তানে এখানো পোলিও থাকায় তা ভবিষ্যতে দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার জন্যও ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।

পোলিওমুক্ত করতে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ‘বিশ্বকে’ মোট ছয়টি অঞ্চলে ভাগ করে কাজ শুরু করে। এর আগে তিনটি অঞ্চলকে পোলিওমুক্ত ঘোষণা করা হয়। আর বৃহস্পতিবার দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার অঞ্চলকে পোলিওমুক্ত ঘোষণার মধ্যে দিয়ে এ সংস্থার চারটিই এখন ‘পোলিওমুক্ত’ সনদ পেল।

গণস্বাস্থ্য, মহামারি বিদ্যা, ভাইরাস বিদ্যা, চিকিৎসাবিদ্যা এবং সংশ্লিষ্ট বিষয়ে অভিজ্ঞ মোট ১১ সদস্যের একটি স্বাধীন প্যানেল এ সিদ্ধান্তে আসার আগে দু’দিন ধরে দেশগুলো থেকে পাঠানো তথ্যাদি পরীক্ষা-নীরিক্ষা করেন। তথ্যাদি পরীক্ষা-নীরিক্ষা করে তারা দেখেন এ অঞ্চলকে পোলিও সনদ দিতে যে শর্ত পূরণ করা দরকার তা তারা করেছে।

পোলিওমুক্ত সনদ পাওয়ার শর্তসমূহের মধ্যে অন্যতম হলো- কমপক্ষে টানা তিন বছর পোলিওমুক্ত থাকা, পোলিও ভাইরাস চিহ্নিতকরণে ল্যাবভিক্তিক সার্ভিলেন্স থাকা, পোলিও সনাক্তকরণের সক্ষমতা ও প্রতিবেদন দেওয়া এবং ল্যাবে পোলিও ভাইরাস নিরাপদ সংরক্ষণ।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার আঞ্চলিক পরিচালক ড. পূনাম কেটরাপাল বলেন, স্বাস্থ্যকর্মীদের জন্য এটা একটা বড় বিজয়। বিশেষ করে যারা তাদের অঞ্চলকে পোলিওমুক্ত করতে সে দেশের সরকার, বেসরকারি সংস্থা, সুশীল সমাজ এবং আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সঙ্গে কাজ করে।

x