Skip to content

বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের সৌদি আরবে অভাবনীয় সাফল্য

সৌদি প্রবাসী বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরা ইন্টারন্যাশনাল জেনারেল সার্টিফিকেট সেকোন্ডারি এডুকেশন (আই.জি.সি.এস.ই) পরীক্ষায় অভাবনীয় সাফল্য দেখিয়েছে। যা বাংলাদেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করেছে। এই শিক্ষার্থীদের সবাই রিয়াদস্থ বাংলাদেশ ইন্টারন্যাশনাল স্কুল এর ইংরেজি শাখার ছাত্র।

শিক্ষার্থীদের মধ্যে ফাহিম মাসুম অষ্টম আই.জি.সি.এস.ই. পরীক্ষায় সমগ্র সৌদি আরবের মধ্যে প্রথম স্থান অধিকার করেছে। সে দ্বিতীয় ভাষা হিসাবে ইংরেজিতেও সমগ্র রিয়াদ অঞ্চলের মধ্যে সর্বোচ্চ নম্বর পেয়েছে। আফনান শহিদ নবম আই.জি.সি.এস.ই. পরীক্ষায় সমগ্র সৌদি আরবে যুগ্মভাবে ২য় স্থান অধিকার করেছে।

তাসনিম কামাল এনা পদার্থ বিদ্যায় সমগ্র সৌদি আরবের মধ্যে সর্বোচ্চ নম্বর এবং রহমান মির্জা রিয়াদ অঞ্চলের মধ্যে হিসাব রক্ষণ (একাউন্টিং) বিষয়ে সর্বোচ্চ নম্বর পেয়ে দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করেছে।

ইন্টারন্যাশনাল জেনারেল সার্টিফিকেট অব সেকোন্ডারি এডুকেশন (আই.জি.সি.এস.ই.) পরীক্ষা যুক্তরাজ্যের ক্যাম্ব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয় এর আওতায় পরিচালিত হয়ে থাকে। বাংলাদেশ ইন্টার ন্যাশনাল স্কুলের ইংরেজি শাখা প্রতিবারের মত ২০১৩ সালে অনুষ্ঠিত পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে এবং এমন সাফল্য লাভ করে।

প্রতিষ্ঠানের প্রিন্সিপাল করিম রেজা বলেন, শিক্ষার্থীদের অনন্য ফলাফলে আমরা অত্যন্ত আনন্দিত। তারা শুধু স্কুলের নামই উজ্জ্বল করেনি, মাতৃভূমির নামও উজ্জ্বল করেছে। আমরা তাদের নিয়ে গর্ববোধ করি।

বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ শহীদুল ইসলাম কৃতি ছাত্র ফাহিম মাসুমকে অভিনন্দন জানান।

তিনি বলেন, ফাহিম তার বাবা-মা, শিক্ষক-শিক্ষিকা যারা তার পড়াশুনায় বিভিন্নভাবে সহযোগিতা করেছে তাদের কাছে কৃতজ্ঞ। ফাহিম এর বাবা এ.কে.এম. মাসুম মিডিয়া গেটস এ কর্মরত একজন স্যাটেলাইট ইঞ্জিনিয়ার। তার দুই ছেলে এবং গ্রামের বাড়ি বাংলাদেশের বগুড়া জেলায়।

বাংলাদেশ ইন্টারন্যাশনাল স্কুলে ১৭০০ ছাত্র-ছাত্রী এবং প্রায় ১০০ জন শিক্ষক আছেন। স্কুলের শিক্ষা কার্যক্রম যুক্তরাজ্যের ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয় এর অনুমোদিত কার্যক্রম অনুযায়ী পরিচালিত হয়। অ্যাডভান্স লেভেল পরীক্ষাগুলোতে স্কুলের ফলাফল অনেক ভাল। স্কুলের প্রিন্সিপাল করিম রেজা বলেন, এখন পর্যন্ত ৯০ শতাংশ ভাল ফল পাওয়া গেছে।

তিনি আরো বলেন, আমাদের বিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থীদের অধিকাংশই ইউরোপ-আমেরিকার বড় বড় বিশ্ববিদ্যলয় ও নামকরা প্রতিষ্ঠানে অধ্যয়ন করছে। আমরা আমাদের প্রতিষ্ঠানের উত্তোরোত্তর সমৃদ্ধি কামনা করি।

x