ঢাকা বোর্ডের ইংরেজি দ্বিতীয়পত্রের পরীক্ষা ৮ জুন

প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগে স্থগিত করা ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের ইংরেজি দ্বিতীয় পত্রের পরীক্ষা আগামী ৮ জুন রোববার সকাল ১০টায় অনুষ্ঠিত হবে।

এছাড়া প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনা তদন্তে একটি উচ্চ ক্ষমতা সম্পন্ন তদন্ত কমিটি গঠন করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে সাংবাদিকদের এ কথা জানান।

এ সময় শিক্ষা সচিব মোহাম্মদ সাদিক, ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান তাসলিমা বেগম উপস্থিত ছিলেন।

বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ইংরেজি দ্বিতীয়পত্রের পরীক্ষা হওয়ার কথা ছিল।

কিন্তু আগের দিন বিভিন্ন ফটোকপির দোকানে প্রশ্নপত্র বিক্রি হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠে।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, কিছু তথ্যের ভিত্তিতে আমরা যে পরিস্থিতির সম্মুখীন হই তাতে পরীক্ষা গ্রহণ করা সমীচীন হবে না বলে মনে করি। তখন পরীক্ষা স্থগিত করি।

‘বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে’ নিচ্ছি জানিয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, প্রশ্নপত্র ফাঁসের সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত করতে উচ্চ ক্ষমতা সম্পন্ন একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছি।

সাত সদস্য বিশিষ্ট এই তদন্ত কমিটির প্রধান করা হয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (প্রশাসন ও অর্থ) সোহরাব হোসেনকে।

শিক্ষামন্ত্রী জানান, কমিটি অভিযোগের সার্বিক বিষয়ে তদন্ত করে করণীয় সম্পর্কে সুপারিশ করবে।

এছাড়াও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে অনুষ্ঠিত সকল পাবলিক পরীক্ষার প্রশ্নপত্রের নিরাপত্তার বিষয়ে সুনির্দিষ্ট সুপারিশ করার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের গঠিত কমিটির সদস্যরা হলেন- জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের একজন যুগ্ম-সচিব, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন যুগ্ম-সচিব, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম-সচিব (বিদ্যালয়) ও যুগ্ম-সচিব (মাধ্যমিক), মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক (প্রশাসন) এবং ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের পরিদর্শক (বিদ্যালয়)।

কমিটিকে আগামী ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।

এর আগে সকালে ঢাকা শিক্ষাবোর্ড অপর একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে।

ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের সচিব আব্দুস সালাম হাওলাদাকে প্রধান করে এই কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন- বোর্ডের কলেজ পরিদর্শক শ্রীকান্ত কুমার চন্দ, বিদ্যালয় পরিদর্শক মো. শাহেদুল খবির চৌধুরী, সিনিয়র সিস্টেম এনালিস্ট মো. মঞ্জুরুল কবীর এবং উপ-পরিচালক (হিসাব) ফজলে এলাহী।

এই কমিটিও ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দেবে।

গত ৩ এপ্রিল থেকে সারা দেশে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হয়। দ্বিতীয় দিনের পরীক্ষায় ঢাকাতে প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগে পরীক্ষা স্থগিত করা হলো।

x