Skip to content

ইউএসবি দিয়ে গরমের আরাম!

তীব্র গরমে নাভিশ্বাস উঠতে বসেছে মানুষের। ফ্যানের বাতাসও গরম। আর সিলিং ফ্যানের ঘটঘট আওয়াজে তো ঘুমটাই নষ্ট। ফ্রিজ থেকে পানি বের করতে না করতে গরম হয়ে যাচ্ছে। কম্পিউটারে বসলে ঘেমে উঠছে হাত। সমাধান কী নেই? সমাধান আছে। একবিংশ শতকে এগুলো আবার কোন সমস্যা হলো নাকি! আসুন না একটু দেখে নিই আধুনিক প্রযুক্তি এর কী সমাধান দিয়েছে।

ইউএসবি ডেস্ক ফ্রিজ:
কম্পিটারের ইএসবি সংযোগ দিয়েই চালানো যাবে এই ফ্রিজ। না, ৮ বা ১২ সিএফটির ফ্রিজ নয়, একটি বোতল বা ক্যানের পানি সবসময় ঠাণ্ডা রাখা যাবে এ যন্ত্র দিয়ে। ফলে ফ্রিজ থেকে বের করে রাখা পানি গরম হয়ে ওঠার ঝামেলাটা বোধ হয় এড়ানো গেল এবার। একটু খুলেই বলি। কাজ করার সময় গলা ভেজাতে একটা ঠাণ্ডা পানির বোতল ফ্রিজ থেকে বের করে রাখলেন। কিন্তু, ১০ মিনিটেই পানি চলে এলো রুম টেম্পারেচারে। মেজাজটাই খারাপ হয়ে গেল। আচ্ছা, যদি আপনার ডেস্কের ওপরেই একটা খুদে ফ্রিজ থাকতো, তাহলে কেমন হত? আপনার এ সাধ পূরণের জন্য এসে গেছে ইউএসবি ডেস্ক ফ্রিজ৷ ডেস্কটপ বা ল্যাপটপের সঙ্গে ডেস্ক ফ্রিজের ইউএসবি কেবলটি জুড়ে দিন৷ খুদে ফ্রিজটি আপনার পানীয় ঠাণ্ডা রাখার কাজে লেগে পড়বে৷ তাহলে চুমুক দেওয়ার মাঝে বিরতি থাকলেও, পানীয় গরম হবে না৷ একটি ক্যান বা বোতল রাখার ইউএসবি ডেস্ক ফ্রিজ-এর দাম পড়বে ৪৯ ডলারের মতো৷ ভালো কথা, শীতকালে এই ফ্রিজ আবার খাবার গরম রাখার কাজেও ব্যবহার করা যাবে৷

ইউএসবি কুলিং প্যাড-
ডেস্কটপ বা ল্যাপটপ ঠাণ্ডা রাখতে কুলিং ফ্যান ব্যবহার করা হয়, কিন্তু কুলিং প্যাডটা আবার কী? এটা আসলে আপনার বিরামহীন হাতটাকে আরাম দিতেই তৈরি একটি গ্যাজেট। এই গরমে টানা কাজ করার জন্য তো হাত দু’টোকেও ঠাণ্ডা রাখতে হবে৷ এই প্যাডের কাজটা ঠিক তাই। প্যাডটিকে ঠিক কবজির নিচে রাখা যেতে পারে৷ আর ইউএসবি পোর্টটিকে যোগ করে দিন ল্যাপটপের সঙ্গে৷ যতক্ষণ ল্যাপটপে কাজ করবেন, ততক্ষণ ফুরফুরে হাওয়া৷ আর হাওয়া পেয়ে আপনার হাতটাত আর ঘামবে না৷ ফলে হাতও চলবে তুখোড়৷ নেটে খোঁজ করলে সাদা-কালো দুই রঙে এমন ইউএসবি পোর্টেবল কুলিং প্যাড পেয়ে যাবেন৷ দাম পড়বে ১৯ ডলারের মতো৷

ব্লেড ছাড়া পাখা-
সিলিং ফ্যান বা টেবিল ফ্যানটা যাই চালান কমবেশি ঘরঘর আওয়াজ আপনার বিরক্তির উদ্রেক করতেই পারে। ঘুমের বারোটা বাজাতেও হয়ত কার্পণ্য করবে না অযাচিত এ যান্ত্রিক শব্দ। এমনিতে গরম, তার উপরে অবিরাম ঘরঘর শব্দ কার বা ভালো লাগে। তার উপরে রয়েছে ফ্যানের পাখায় হাত কাটার ভয়। তাহলে উপায়? এই হাইটেক যুগে দুঃশ্চিন্তায় পড়ার দরকার কী৷ ইন্টারনেটে ডাইসন এয়ার মাল্টিপ্লায়ার ব্যাপারটা একবার দেখে নিন৷ দেখতে টেবল ফ্যানের মতোই, কিন্তু কোনও ব্লেড নেই৷ আসলে ছোট্ট এবং শক্তিশালী ব্লেডগুলো রয়েছে যন্ত্রের একেবারে নিচের দিকে৷ সেই ব্লেডগুলো হাওয়া ঠেলে দেয় ফাঁকা গোলাকার জায়গার দিকে৷ ওই গোলাকার ক্ষেত্রের চারপাশ দিয়ে নিঃশব্দে বের হতে থাকে ঠাণ্ডা হাওয়া৷ আর হাওয়া বেরনোর সময় চারপাশের বাতাসও টানতে থাকে৷ ফলে ফ্যানের বাতাসের অন্তত পনেরোগুন বাতাস বেশি পাওয়া যায়। এই দাবি নির্মাতাদের৷ অত্যাধুনিক এই যন্ত্রের দামটাও বেশি৷ প্রায় ৩০০ ডলার।

x