‘জলমহাল ব্যবস্থাপনার নীতিমালা মানলে দেশীয় মাছের উৎপাদন বাড়বে’

জলমহাল ব্যাবস্থাপনায় যে নীতিমালা প্রণয়ন করা হয়েছে সেগুলো অনুসরণ করলে হাওরের মাছের উৎপাদন বাড়বে বৈ কমবে না বলে মন্তব্য করেছেন সুনামগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট পীর ফজলুর রহমান মিসবাহ। তিনি বলেন, হাওরাঞ্চলের জেলা সুনামগঞ্জ অনেক কাল আগে থেকেই মৎস্য সম্পদে সমৃদ্ধ। দেশে যে পরিমাণ হাওর এবং জলাশয় রয়েছে সেগুলো থেকে আমরা যেটুকু প্রাকৃতিক মাছ পেয়ে থাকি তা যেন অব্যাহত থাকে। সর্বোচ্চ উৎপাদন নিশ্চিত করতেই হাওরে মৎস্য ব্যবস্থাপনায় জলমহাল ব্যবস্থাপনায় নীতিমালা প্রণয়ন করা হয়েছে।

শনিবার (১১ সেপ্টেম্বর) বিকেলে বিশ্বম্ভরপুর উপজেলা মৎস্য অধিদপ্তরের আয়োজনে খরচার হাওরে ১৭৩ কেজি পোনা মাছ অবমুক্তকরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এসময় সহকারী কমিশনার (ভূমি) আছমা বিনতে রফিকের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন জেলা মৎস্য অফিসার সুনীল মন্ডল।

এমপি মিসবাহ বলেন, বর্তমানে যুবকরা যেভাবে মৎস্য চাষে আগ্রহী হচ্ছে তাতে মৎস্য উৎপাদনে বিশ্বের মধ্যে বাংলাদেশ চতুর্থ অবস্থানে রয়েছে। মিসবাহ্ বলেন, আমাদের মূল দায়িত্বটা হচ্ছে হাওর বা জলাশয় ব্যবস্থাপনার নীতিমালা বাস্তবায়ন করা।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে জেলা মৎস্য অফিসার সুনীল মণ্ডল বলেন, মৎস্য ভান্ডার বৃদ্ধি করার জন্য সরকারের নির্দেশনায় বিভিন্ন পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। দেশীয় মাছ রক্ষায় মৎস্য সংরক্ষণ আইন বাস্তবায়ন করতে হবে। বিল, খালগুলো পুনঃখনন করে মাছের আবাসস্থল হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। হাওর ছাড়াও জলাশয়, পুকুরে মাছের উৎপাদন বাড়ানোর জন্য ইউনিয়ন পর্যায়ে বিভিন্ন প্রকল্পের মাধ্যমে কাজ করা হচ্ছে।

এসময় উপস্থিত ছিলেন মৎস্য কর্মকর্তা মেহেদী হাসান, উপজেলা জাতীয় পার্টির আহ্বায়ক আব্দুর রহমান মাস্টার, সদস্য সচিব, আব্দুল কাদিরসহ বিভিন্ন দপ্তরের সরকারি কর্মকর্তা এবং দলীয় নেতৃবৃন্দ।

সুনামগঞ্জমিরর/পীর জুবায়ের/টিএম

x