শেখ হাসিনা তরুণদেরকে ভালোবাসেন: পরিকল্পনামন্ত্রী

পরিকল্পনামন্ত্রী আলহাজ্ব এম এ মান্নান এমপি বলেছেন, বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা তরুন ছাত্র-যুবাদের খুব ভালোবাসেন। ছাত্রলীগ তাঁর প্রাণের সংগঠন। তিনি জানেন, আওয়ামীলীগের সবগুলো শক্তির মধ্যে ছাত্রলীগ অন্যতম। তিনি চান যেসব তরুণরা ছাত্রলীগ করবে তাদের মধ্যে দেশের প্রতি একটি কমিটমেন্ট থাকবে যেমনটা ছিলো বঙ্গবন্ধুর। আমি নিজেও তরুণদের দ্বারা প্রভাবিত হই। তরুণ, বিশেষ করে ছাত্রদের আমি ভীষণ পছন্দ করি। ছাত্রলীগ সঠিকভাবে এগিয়ে যাক আমি সেই কামনা করি। পশ্চিম পাগলা ইউনিয়ন ছাত্রলীগ একটি সুশৃঙ্খল ইউনিট। আমি তাদের সফলতা কামনা করি। ছাত্রলীগ যত শক্তিশালী ও সক্রিয় হবে শেখ হাসিনার হাতও তত শক্তিশালী হবে।

মন্ত্রী বলেন, বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা গ্রামকে প্রচণ্ড ভালোবাসেন। তিনি গ্রামের উন্নয়নে বেশি আগ্রহী। বিশেষ করে শেখ হাসিনার সরকার অসহায়, গরীব এবং সুবিধাবঞ্চিত মানুষদের কথা ভেবেই গ্রামে বেশি করে উন্নয়ন করে থাকে। কিন্তু একটি কুচক্রী মহল শেখ হাসিনা এবং আমাদের সরকারের এসব কর্মকান্ডকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে সব সময় প্রোপাগান্ডা চালিয়ে যাচ্ছে। দয়া করে আপনারা এসব কথায় কান দিবেন না।

শুক্রবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকাল ৪টায় শান্তিগঞ্জ উপজেলার পশ্চিম পাগলা ইউনিয়ন ছাত্রলীগের দ্বিবার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন এমএ মান্নান এমপি। সম্মেলনটি পাগলা বাজারের কলেজ মার্কেটের সামনে অনুষ্ঠিত হয়।

সুনামগঞ্জের উন্নয়ন নিয়ে মন্ত্রী মান্নান আরও বলেন, সুনামগঞ্জে অনেক উন্নয়ন হয়েছে। এসব উন্নয়নের একমাত্র উৎস হচ্ছেন শেখ হাসিনা। আমি আপনাদের পছন্দের একজন সেবক মাত্র। আপনারা যেসব দাবি করবেন, আপনাদের হয়ে শেখ হাসিনার কাছে সে দাবিটুকু আমি পৌঁছে দেই। সুনামগঞ্জে আরো উন্নয়ন হবে। রেল আসবে। হাওরে উড়াল সেতু হবে। একসময় হাওরের উপর দিয়ে আমরা গাড়িতে করে নেত্রকোনা-ময়মনসিংহ হয়ে ঢাকা যাবো। উন্নয়নের ব্যপারে আপনারা শেখ হাসিনার উপর ভরসা রাখুন।

শান্তিগঞ্জ উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি রয়েল আহমদের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক ইমরান হোসেন তালুকদারের পরিচালনায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন পশ্চিম পাগলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. নূরুল হক, উপজেলা তাঁতীলীগের সভাপতি গোলাম মোস্তফা, উপজেলা আওয়ামীলীগের প্রচার সম্পাদক সুরঞ্জিত চৌধুরী টপ্পা, সুনামগঞ্জ জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক কামরুল ইসলাম শিপন, উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক আহ্বায়ক মনসুর আলম সুজন ও পশ্চিম পাগলা ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সদ্য সাবেক সভাপতি মো. আজাদ হোসেন। আজাদ হোসেন অনুষ্ঠানের শুরুতেই তার বক্তব্যে ছাত্রলীগের আগের কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করেন।

এসময় শান্তিগঞ্জ উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি হাজি আবদুল হেকিম, আওয়ামীলীগ নেতা তেরাব আলী, সুনামগঞ্জ জেলা পরিষদ সদস্য জহিরুল ইসলাম জহুর, পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নানের রাজনৈতিক সচিব মো. হাসনাত হোসেন, আওয়ামীলীগ নেতা দেলোয়ার হোসেন, ধীরেন্দ্র পাল ধীরু, আইয়ুব উদ্দিন বুদ্ধি, মহাজোটের আহ্বায়ক আনোয়ার বেগ, নব্বই দশকের ছাত্রলীগ নেতা আফরোজ মিয়াসহ আওয়ামীলীগ, যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, শ্রমিকলীগ, মটর-রিকশা শ্রমিকবৃন্দ ও ছাত্রলীগের অংখ্য নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন। তবে, সম্মেলনে নতুন কমিটির ঘোষণা আসেনি। পরবর্তীতে কমিটি ঘোষণা করা হবে।

ইয়াকুব শাহরিয়ার/সুনামগঞ্জমিরর/টিএম

x