Skip to content

‘বাংলাদেশকে কেউ অবহেলা করতে পারবে না’

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, যে সম্মান ৭১ এ পেয়েছি, আবার সে সম্মান ৭৫ এ হারিয়েছি, সেই সম্মান আবার পুনরুদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছি। এখন আর বাংলাদেশকে কেউ অবহেলা করতে পারবে না।

বুধবার (১৯ জানুয়ারি) ডিফেন্স সার্ভিসেস কমান্ড অ্যান্ড স্টাফ কলেজের গ্র্যাজুয়েশন সেমিনারে গণভবন থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে এসব কথা বলেন তিন।

তিন বাহিনীকে যুগোপযোগী করা হবে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, দেশের সার্বভৌমত্বে আঘাত এলে বসে থাকবে না বাংলাদেশ।

প্রতিরক্ষামন্ত্রী শেখ হাসিনা জানান, সার্বভৌমত্বের ওপর আঘাত এলে তা প্রতিরোধে উপযুক্ত সশস্ত্র বাহিনী গড়ে তোলা হচ্ছে। বলেন, আলোচনা চলছে মিয়ানমারের সঙ্গেও। সরকারের নীতি ও পরিকল্পনায় বাংলাদেশের ভাবমূর্তি আজ বিশ্ব দরবারে নতুন করে প্রতিষ্ঠা পেয়েছে। যে কোনো চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বাহিনীর সদস্যদের মনোবল ধরে রেখে দেশাত্মবোধ নিয়ে কাজ করার আহ্বান জানান সরকার প্রধান।

গ্রাজুয়েটদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এ কোর্সে আপনারা সামরিক জ্ঞান ও জাতীয়-আন্তর্জাতিক উচ্চতর জ্ঞান লাভ করেছেন। এ জ্ঞান আপনাদের ওপর অর্পিত দায়িত্ব দক্ষতার সঙ্গে পালন ও যে কোনো চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সহায়ক হবে। আমি চাই, আমাদের সশস্ত্র বাহিনীর প্রতিটি সদস্য আন্তর্জাতিক মান সম্পন্ন হবে। এ জন্য পদবি পরিবর্তন করা থেকে শুরু করে অনেক কাজ করে দিয়েছি। যাতে প্রতিটি সদস্য সমানতালে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে চলতে পারেন।

সকালে গণভবন থেকে মিরপুরে ডিফেন্স সার্ভিসেস কমান্ড অ্যান্ড স্টাফ কলেজের কোর্স সমাপনী অনুষ্ঠানে সরকার প্রধান বলেন, জঙ্গিবাদ-সন্ত্রাস দমনসহ বিভিন্ন সূচকে দেশের উজ্জ্বল ভাবমূর্তি ধরে রেখেই এগিয়ে যেতে হবে তিন বাহিনীকে।

সামরিক কায়দায় জাতীয় সংগীত বাজিয়ে কর্মকর্তারা সম্মান জানান প্রধানমন্ত্রীকে। পরে, ভার্চুয়াল মাধ্যমে এবারের কোর্স সম্পন্ন করা দেশি-বিদেশি ২৫১ কর্মকর্তার কোর্সের সনদ তুলে ধরেন। এবারের কোর্সে ১৮টি দেশের ৪৭ বিদেশি কর্মকর্তার পাশাপাশি ছিলেন সশস্ত্র বাহিনীর ও বাংলাদেশ পুলিশের সদস্যরাও। অনুষ্ঠানে প্রতিরক্ষামন্ত্রী শেখ হাসিনা, তিন বাহিনীকে আধুনিক করে গড়ে তোলা হচ্ছে বলে জানান।

পরিবর্তিত বিশ্বে প্রতিনিয়ত পাল্টে যাচ্ছে সামরিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি। বাড়ছে ঝুঁকি রয়েছে নানামুখী চ্যালেঞ্জও। একবিংশ শতাব্দীর সেসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার উপযুক্ত করে সশস্ত্র বাহিনীর কর্মকর্তাদের গড়ে তুলতে মিরপুরের সামরিক বাহিনী কমান্ড অ্যান্ড স্টাফ কলেজ এক বড় ভূমিকা পালন করে। এখানকার বছর মেয়াদি কোর্সে দেশীয়-আন্তর্জাতিক সামরিক কৌশলগত বিষয়, সাইবার ওয়ারফেয়ার, হাইব্রিড ওয়ারফেয়ার, কম্পিউটার অ্যাসিসটেড ওয়ার প্ল্যান এবং নিউক্লিয়ার সিকিউরিটিসহ বিভিন্ন কৌশলগত বিষয়ে প্রশিক্ষিত হয়ে থাকেন কর্মকর্তারা।

বেলা ১০টায় গণভবন থেকে মিরপুর সেনানিবাসের ডিফেন্স সার্ভিসেস কমান্ড অ্যান্ড স্টাফ কলেজের কোর্স সমাপনী অনুষ্ঠানে ভার্চুয়াল মাধ্যমে যোগ দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

সুনামগঞ্জমিরর/এসএ

x