Skip to content

ধর্মীয় বিভেদমুক্ত দেশ গড়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণ দিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী। ছবি: বাসস
জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণ দিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী। ছবি: বাসস

সবাইকে বাঙালির সার্বজনীন উৎসব নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়ে ধর্মীয় বিভেদমুক্ত দেশ গড়ার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ১৪২৯ বঙ্গাব্দ উপলক্ষে বুধবার (১৩ এপ্রিল) জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে একথা বলেন তিনি। এই ভাষণ রেডিও ও টেলিভিশনে সরাসরি সম্প্রচার হয়।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাঙালি জাতীয়তাবাদের অসাম্প্রদায়িক চেতনায় স্নাত হয়ে আসুন, বাংলাদেশকে একটি সুখী-সমৃদ্ধ সোনার বাংলাদেশ হিসেবে গড়ে তুলি। যেখানে বৈষম্য থাকবে না, মানুষে মানুষে থাকবে না কোনো ভেদাভেদ, থাকবে না ধর্মে-ধর্মে কোনো বিভেদ। পারস্পরিক সৌহার্দ্য আর ভ্রাতৃত্বের বন্ধনে আবদ্ধ হয়ে আসুন বাংলাদেশকে বিশ্বের বুকে একটি উন্নত-সমৃদ্ধ সোনার বাংলা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করি।

তিনি বলেন, সকল সঙ্কীর্ণতা, কূপমণ্ডুকতা পরিহার করে উদারনৈতিক জীবন-ব্যবস্থা গড়ে তুলতে পয়লা বৈশাখ আমাদের অনুপ্রাণিত করে। মনের ভিতরের সকল ক্লেদ,জীর্ণতা দূর করে আমাদের নতুন উদ্যমে বাঁচার শক্তি জোগায়, স্বপ্ন দেখায়। আমরা যে বাঙালি,বিশ্বের বুকে এক গর্বিত জাতি,পয়লা বৈশাখের বর্ষবরণের মাধ্যমে আমাদের মধ্যে এই স্বাজাত্যবোধ এবং বাঙালিয়ানা নতুন করে প্রাণ পায়,উজ্জীবিত হয়।

download
জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণ দিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী। ছবি: বাসস

বিশ্বের নানা প্রান্তে ছড়িয়ে থাকা বাঙালিরা হাজার বছরের লোক-সংস্কৃতির নানা উপাদানের সঞ্চালন ঘটাচ্ছেন উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এর মাধ্যমেই পৃথিবীজুড়ে তৈরি হচ্ছে বাঙালি সংস্কৃতির সঙ্গে অন্য সংস্কৃতির সেতুবন্ধ।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, মহামারিজনিত ক্ষয়ক্ষতি কাটিয়ে উঠার জন্য তার সরকার সাধ্যমত চেষ্টা করে যাচ্ছে। এখন পর্যন্ত আমরা ২৮টি প্যাকেজের মাধ্যমে ১ লাখ ৮৭ হাজার ৬৭৯ কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করেছে। এতে প্রায় ৬ কোটি ৭৪ লাখ মানুষ উপকৃত হয়েছেন এবং প্রতিষ্ঠান উপকৃত হয়েছে প্রায় ১ লাখ ১৮ হাজার।

আমাদের অর্থনীতির মূল শক্তি কৃষি উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, আমাদের সরকারের কৃষি-বান্ধব নীতির ফলে চাল,শাক-সবজি, মাছ, মাংস, ডিম, দুধ উৎপাদনে আমরা এখন স্বয়ং-সম্পূর্ণ। 

ইত্তেফাক/সুনামগঞ্জমিরর/এসএ

x