খোলাবাজারে চাল বিক্রি শুরু ১ সেপ্টেম্বর

আগামী ১ সেপ্টেম্বর থেকে ৫০ লাখ পরিবারের জন্য খাদ্যবান্ধব কর্মসূচি ও খোলাবাজারে চাল বিক্রি (ওএমএস) কর্মসূচি চালু করবে সরকার। রোববার (১৪ আগস্ট) সচিবালয়ে সংবাদকর্মীদের এ কথা জানান খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার।

এ সময় চালের দাম বাড়ার বিষয়ে তিনি বলেন, ‘আমরা আশাবাদী, কারণ সামনে আমন উঠবে। আউশ ওঠার জন্য আমরা বসে থাকব না, আগামী ৩১ আগস্ট পর্যন্ত আমাদের বোরো সংগ্রহের শেষ সময়। আমরা ১ সেপ্টেম্বর থেকে ৫০ লাখ পরিবার বা ৪ কোটি মানুষের জন্য খাদ্যবান্ধব কর্মসূচি চালু করছি।’

১ সেপ্টেম্বর থেকে ওএমএস ও খাদ্যবান্ধব কর্মসূচি একসঙ্গে চালু হলে চালের দাম স্থিতিশীল অবস্থায় চলে আসবে উল্লেখ তিনি বলেন, ‘আমাদের সরকারি মজুত আছে, আমরা তো মানুষের জন্যই মজুত করি। যারা এ চাল নেবে তাদের তো বাজার থেকে আর চাল কিনতে হবে না। সেখানে তো আমরা ভরসা করতেই পারি।’

চালের দাম বাড়ার কারণ হিসেবে খাদ্যমন্ত্রী বলেন, ‘এখন দুটি মৌসুমের সন্ধিক্ষণ–বোরো চলে গেছে, আমন আসবে। অনেক জায়গায় খরার কারণে মানুষ আমন লাগানো নিয়ে ভয়ভীতিতে আছে। এর সঙ্গে পরিবহন ব্যয়ও বেড়েছে। পরিবহন খরচের হারের চেয়ে চালের দামটা বেশি বেড়েছে। সেখানে কিছু অসাধু ব্যবসায়ীও আছে। এটা পরিষ্কার কথা, আমাদের অস্বীকার করার কিছু নেই।’

এ বিষয়ে তদারকি করার কথা জানিয়ে তিনি বলেন, ‘অবৈধ মজুতের বিষয়ে আমাদের তো নিয়মিত মনিটরিং আছেই। সেটা আরও জোরদার করার সিদ্ধান্ত হয়েছে।’

উল্লেখ্য, খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির আওতায় বছরের ৫ মাস (মার্চ-এপ্রিল, সেপ্টেম্বর-নভেম্বর) পরিবারপ্রতি ১৫ টাকা কেজি দরে মাসে ৩০ কেজি করে চাল দেয়া হয়। অন্যদিকে ওএমএস কর্মসূচির আওতায় যে কেউ ডিলারের কাছ থেকে ৩০ টাকা কেজি দরে সর্বোচ্চ ৫ কেজি চাল কিনতে পারেন।

সুনামগঞ্জমিরর/এসএ

x